রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর ‘শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্র ও সরকার পাওয়ার আশা নিয়ে এখনো অপেক্ষায় আছি’

‘গার্মেন্টসশ্রমিকেরা গাড়ি–বাড়ি করার জন্য কারখানায় কাজ করেন না। তাঁরা কোনোমতে পরিবার নিয়ে দিন পার করার লক্ষ্যে কঠোর পরিশ্রম করেন। শ্রমিকদের তৈরি করা পণ্য রপ্তানি করে গাড়ি–বাড়ি করেন কারখানার মালিকেরা। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকে। সেই শ্রমিকদের যথাসময়ে বেতন–বোনাস পেতে করতে হয় আন্দোলন। আন্দোলন করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মরতে হয়। আমরা এখনো শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্র ও শ্রমিকবান্ধব সরকার পাওয়ার আশা নিয়ে অপেক্ষায় আছি।’ ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর পূর্তিতে এ কথাগুলো বলেন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ও সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল মামুন। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজার ৯ তলা ভবন ধসে নিহত হন ১ হাজার ১৩৮ জন। আহত হন অনেকে। খায়রুল মামুন বলেন, কারখানার মালিক, ভবনের মালিক ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের গাফিলতিতে কারখানার অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে, ভবন ধসে চাপা পড়ে মরতে হয়, পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয় শ্রমিকদের। বিচারের দাবি, ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন, সুচিকিৎসার জন্য বছরের পর বছর আন্দোলন করতে হয়।

Post a Comment

0 Comments